2016年9月30日金曜日

NEOBUX নাম আমরা সবাই শুনেছি কিন্তু কিভাবে আয় করতে হয় তা জানিনা। আজ আপনাদেরকে দেখাব।

NEOBUX নাম আমরা সবাই শুনেছি কিন্তু কিভাবে আয় করতে হয় তা জানিনা। আজ আপনাদেরকে দেখাব। 
প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করে রেজিস্টেশন করে নিন। 
NEOBUX. CLICK HERE TO REGISTER NOW 
কিছু ফিউচার দেওয়া হলো... 
Number of daily ads: 5+ 
Earning per own click: $0.01 
Earning per referral click: $0.0 
Minimum payout: $2.00 


PTC তে ব্যর্থ হও্য়ার একটা বড় কারণ হলো, প্রচুর scam সাইট আছে, প্রায় ৯৫ ভাগই scam সাইট। তাই PTC নিয়ে কাজ করতে হলে প্রথমেই elite বা legit সাইট খুজে বের করতে হবে(এটাই কঠিন কাজ।এখন দেখি কিভাবে এই সাইট থেকে আয় করা যায়।

Neobux একটি elite সাইট। গত ৪ বছর এই সাইট টি তাদের মেমবার দের কোনো অভি্যোগ ছাড়াই পে করে আসছে (instant payment)। এই সাইট এ রেজিষ্ট্টেশন ফ্রি।
এর বতমান অবস্থাঃ
Registered membersঃ  19,927,368
Paid to membersঃ$85,284,940
এই সাইটে $২ জমা হলেই আপনি  payza $ নিতে পারবেন।
আসলে PTC একটা দলীয় খেলার মত, একা একা এইখানে খুব বেশি কিছু করা যায় না। সফল হতে গেলে আপনার একটা দল(team) লাগবে। ২ ভাবে দল বানানো যায়। Direct referral এবং Rent referral। Neobux এ জয়েন করার ৩০ দিন পর থেকে Direct referral নে্য়া যায় (অন্য সাইট এ জয়েন করার পর থেকেই যায়।


Direct referral   Neobux-এ ৩০ দিন একা একা কষ্ট করে কাজ করার পর আপনি Direct referral এর মাধ্যমে অন্যকে জয়েন করাতে পারবেন। Banners এ ক্লিক করলে রেফারেল লিংক পাওয়া যাবে। এই লিংকের মাধ্যমে যারা জয়েন করবে তাদের কে নিয়ে আপনার টীম হবে। তারা ক্লিক করলে তাদের আয়ের একটা অংশ আপনি পাবেন। standard member রা পাবে প্রতি ক্লিক এ $০.০০৫। standard member ৩০ জন Direct referral নিতে পারবে (upgrade করলে বাড়বে। এখন আপনরা যদি ৩০ জন Direct referral থাকে এবং তারা যদি গড়ে প্রতিদিন ২টা ক্লিক করে তাহলে টোটাল ক্লিক ৬০ টা, আয় ৩০ সেন্ট প্রতিদিন + আপনার আয়।
Rent referrals: রেন্ট রেফারেল হল PTC থেকে আয় করার সবচে গুরুত্বপুর্ন টেকনিক। জয়েন করার পর পরই রেফারেল রেন্ট নেয়া যায়। এই জন্য invest করা লাগে না। আপনার neobux account এর ডলার দিয়েই আপনি রেন্ট করতে পারেন(মিনিমাম $০.৬০ সেন্ট জমা হলেই আপনি ৩ জন রেফারেল নিয়ে কাজ করতে পারবেন) ।।এভাবে নিয়মিত রেফারেল বাড়িয়ে যান তাহলে আপনার ইনকামও বেড়ে যাবে
আপনার payza তে যদি $ থাকে তাহলে আপনি invest করতে পারবেন। ক্যাশআউট করার জন্য payza  ভেরিফাইড না হলেও চলবে।
Neobux এ রেন্ট করার রেট এই রকম:
$০.৬০ -> ৩ জন (৩০ দিন মে্য়াদ)
$১ -> ৫ জন (৩০দিন)
$২-> ১০ জন(৩০দিন)
$৫-> ২৫ জন
$২০->১০০ জন।
৩০ দিনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রিনিউ করা যায়।
এখন আপনি যদি ১০০ জন রেন্ট নিয়ে কাজ করেন আর তারা যদি গড়ে ২টা ক্লিক করে তাহলে $১ প্রতিদিন আয় করা যাবে। standard member ৩০০ জন রেন্ট নিতে পারবে(upgrade করলে বাড়বে)
যদি রেন্ট রেফারেল ক্লিক না করে (একটিভ না তাহলে recycle করা যাবে। recycle চার্জ $০.০৭ প্রতি জন)
অতএব এভাবে নিয়মিত কাজ করুন ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে আপনার ১৫০-২০০ জন রেন্টেড রেফারেল হয়ে যাবে তারপর শুধু ডলার আর ডলার
Upgrade: ফ্রি রেজি: করলে standard member হয়। standard member থেকে Upgrade করলে golden member হবে। golden member হতে $৯০ লাগবে ১ বছর এর জন্য। Upgrade করলে Direct referral/Rent referrals লিমিট বেড়ে যাবে। ২০০০ রেন্ট রেফারেল নেয়া যাবে এবং সব চে বড় কথা ক্লিক value বেড়ে $০.০১ হবে।
আপনি যদি Upgrade করেন এবং ২০০০ রেন্ট রেফারেল নেন তাহলে ৪০০০ ক্লিক (গড়ে ২ ধরে এ $৪০ প্রতিদিন।
NEOBUX. CLICK HERE TO REGISTER NOW 

2016年2月28日日曜日

কম্পিউটারের প্রসেসর কেনার আগে কি কি বিষয় খেয়াল করবেন

প্রসেসর কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান হার্ডওয়্যার। প্রসেসর কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে। মূলত একেই CPU (Central Processing Unit) বলে। প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Intel এবং AMD (Advanced Micro Device)। এই দুটি কোম্পানিই ভালো। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কিছু প্রযুক্তিগত দিক থেকে Intel এগিয়ে রয়েছে। তবে বর্তমানে AMD ও তাদের APU (acceleration processing Unit) প্রসেসরের ম্যাধ্যমে বাজারে সুলভ মূল্যে বেশ কিছু ভাল প্রসেসর এনেছে। বর্তমানে বাজারে computer and accessories বাজার দর দেখুন।
যেহেতু প্রসেসর কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে এবং যার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই এটি কেনার সময় বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।
১. প্রসেসরের Clock Speed কত, সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও তত বেশি হবে। শুধু clock speed নয়, প্রসেসরের Cache Memory (ক্যাশ মেমরি) কত তাও লক্ষ্য করতে হবে। ক্যাশ মেমরির মধ্যে প্রকারভেদ রয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাশ মেমরি হল L3 Cache। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল প্রসেসরে কয়টি কোর(core) এবং কয়টি থ্রেড(thread) আছে তা খেয়াল করতে হবে। কোর এবং থ্রেড এর সংখ্যা বেশি হলে স্পিড বাড়বে। এছাড়া FSB (Front Serial Bus) এর পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB বেশি হলে স্পিড বেশি হবে। তাই মাদারবোর্ডের বাস স্পিডের সাথে মিল রেখে প্রসেসর কেনা উচিৎ। যদিও নতুন প্রসেসর গুলোতে FSB ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়।
২. প্রসেসরের সিরিজ কী, সেটাও খেয়াল রাখার একটি বিষয়। কারণ সিরিজ যত উন্নত হবে, প্রসেসর মান বাড়বে। Intel এর প্রথম দিককার প্রসেসর এর মধ্যে রয়েছে, Pentium Series। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে, Celeron series, Core Series, i Series। তেমনি AMD এর প্রসেসর গুলো হল Sempron, Athlon, AMD Athlon X2, AMD Athlon II X2, AMD Phenom, AMD FX, AMD APU ইত্যাদি। তাই সবসময় নতুন সিরিজের প্রসেসর কেনা ভাল। কিন্তু প্রসেসরটি যেন আপনার মাদারবোর্ডে সমর্থন করে সে বিষয়টিও লক্ষ্য রাখতে হবে।
৩. প্রসেসরের একটি বিশেষ ফিচার হল Hyper Threading Technology। কারণ এ প্রযুক্তি Multitasking কাজ করার ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকরী ভুমিকা রাখে। এছাড়া Intel প্রসেসরের ক্ষেত্রে Turbo Boost Technology রয়েছে কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে। এই প্রযুক্তি বিশেষ বিশেষ প্রয়োজনের সময় প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৪. প্রসেসরে GPU (Graphics Processing Unit) রয়েছে কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে অনলাইল থেকে নির্বাচিত মডেলের প্রসেসরের স্পেসিফিকেশন দেখে নিন। প্রসেসরে GPU থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে External Graphics Card প্রয়োজন হয় না। AMD এর APU (acceleration processing Unit) প্রসেসরে আলদা Graphics Processing Unit রয়েছে। যা দিয়ে হাই ডেফিনেশন ভিডিও,গেমস ও অন্যান্য গ্রাফিকাল কাজ করা যায়।
৫. প্রসেসরেটি যে দোকান থেকে কিনছেন সেই দোকানের ক্রেতাদের কীরূপ গ্রাহক সেবা দেয় তা জেনে নেওয়া ভাল। সেক্ষেএে পরিচিত লোকদের সাহায্য নিতে পারেন। বাজারে অনেক সময় খোলা হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়। কখনোই এগুলো কেনা উচিৎ নয়।প্রসেসর ক্রয় করার পূর্বে পূর্বোল্লিখিত লক্ষণীয় বিষয় গুলো বিবেচনায় রাখা উচিৎ।
আশা করি এই আর্টিকেলের ম্যাধ্যমে প্রসেসর ক্রয় করতে সুবিধা পাবেন। ধন্যবাদ।

ওয়েব ডিজাইন

নিজের একটা ওয়েব সাইট থাকুক-কে না চায়। তবে প্রয়োজনীয় জ্ঞানের অভাবে অনেকেই হয়তো নিজের একটা ওয়েব সাইট তৈরী করতে পারেন না। সবাই যেন নিজের একটা ওয়েব সাইট নিজেই বানাতে পারেন – বিষয়টা চিন্তা করে ওয়েব সাইট তৈরী সম্পর্কে প্রথম থেকে লিখব বলে মনস্থির করেছি। এখানে প্রথমিক কিছু আলোচনা করলাম। পরবর্তী পোস্ট গুলোতে ধারাবাহিকভাবে কিভাবে ওয়েব সাইট তৈরী করতে হয়,ওয়েব হোস্টিং করতে হয় এসব বিষয়ে লিখতে চেষ্টা করব। আরেকটা কথা- আমি ধরে নিয়েছি যারা পোস্টগুলো পড়ছেন তারা ওয়েব সাইট তৈরী করার ক্ষেত্রে নতুন এবং তাই আমি প্রথম থেকেই শুরু করছি।
আপনার ওয়েব সাইট পেতে হলে নিচের ধাপগুলো পর্যায়ক্রমে অনুসরন করতে হবেঃ
১. ওয়েব সাইট তৈরী
২. ওয়েব সাইট প্রকাশ
১।ওয়েব সাইট তৈরীঃ প্রথমে আপনাকে ওয়েব সাইটটা তৈরী করতে হবে। একাজটা দুইভাবে করতে পারেনঃ এক, বিভিন্ন সফটওয়্যার (যেমনঃ Microsoft FrontPage , Adobe Dreamweaver ইত্যাদি) ব্যবহার করে। দুই, কোড লিখে (যেমনঃ HTML, CSS,JavaScript প্রভৃতি)। আসলে আপনি যেভাবেই ওয়েব সাইট বানান না কেন , তা হবে কিছু কোডের সমষ্টি। সফটওয়্যারগুলো কোড লেখার কাজটা করে দেয়। তাই সফটওয়্যারগুলো দিয়ে ওয়েব সাইট বানানো তুলনামুলকভাবে অনেকটা সহজ । তবে ওয়েব সাইট তৈরী করার আসল মজাটা পাওয়া যায় যখন কোড লিখে ওয়েব সাইট তৈরী করা যায়। আমি কোড লিখে (HTML ও CSS ব্যবহার করে ) ওয়েব সাইট তৈরী করা দেখাবো।
২. ওয়েব সাইট প্রকাশঃ ওয়েব সাইট তৈরী করার পর তা ইন্টারনেট এ প্রকাশ করতে হবে। এজন্য দুইটি কাজ করতে হবেঃ এক, ডোমেইন নেম (আপনার ওয়েব সাইট এর নামই হল ডোমেইন নেম, যেমন Muktadir.com) কেনা এবং দুই,ইন্টারনেট এ ওয়েব সাইট রাখার জন্য জায়গা (Space) কেনা (যেখানে আপনার ওয়েব সাইট আপলোড করবেন. এই আপলোড করার কাজটাকে বলে ওয়েব হোস্টিং)। যেহেতু আপনি এই ব্যপারে নতুন , তাই আগে বিনামুল্যে ওয়েব সাইট প্রকাশ করে শিখতে পারেন। এজন্য বিভিন্ন ওয়েব সাইট আছে (যেমনঃ www.110mb.com ) যেখানে Sign up করলে তারা একটা ডোমেইন নেম ও কিছু জায়গা দেয়। কাজটা খুবই সহজ , যা নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
কোড লিখে ওয়েব সাইট তৈরী করাঃ এজন্য প্রথমে HTML শিখতে হবে। HTML একটা সহজ লেংগুয়েজ। ধৈর্য ধরে পোস্টগুলো পড়ুন । আশা করি HTML শেখা খুব বেশী কঠিন কিছু হবে না। HTML দিয়েই সাধারন ওয়েব সাইট তৈরী করা যায়। তবে ওয়েব সাইট কে সুন্দর ও আকর্ষনীয় করার জন্য CSS ব্যবহার করা লাগবে। HTML ও CSS শিখলেই সহজেই মনের মত ওয়েব সাইট তৈরী করে ফেলতে পারবেন। তো আর কথা না বাড়িয়ে চলুন HTML শেখা শুরু করি।
কী কী লাগবেঃ HTML বা CSS দিয়ে ওয়েব সাইট বানাতে আলাদা কোন সফটওয়্যার এর দরকার নেই। উইন্ডোজ এর Notepad নামের টেক্সট এডিটর দিয়েই কাজ চালানো যায়। তবে প্রোগ্রামারগণ Notepad++ নামক ছোট একটা সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন। এর সুবিধা হল যখন কোড লিখবেন তখন কোড গুলো বিভিন্ন বর্ণ ধারন করে। এতে কোড লিখে মজা পাওয়া যায়, সহজে ভুল গুলো সহজে ধরতে পারা যায়। এছাড়াও বেশ কিছু বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। তাই যারা HTML শিখতে চান তারা Notepad++ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন http://download.tuxfamily.org/notepadplus/6.5.1/npp.6.5.1.Installer.exe লিংটি থেকে। তবে Notepad++ না ব্যবহার করলেও কোনো সমস্যা নেই, Notepad তো আছেই।
HTML প্রথম পাঠঃ HTML এর মৌলিক আলোচনা শুরু করার আগে ছোট একটা HTML পেজ তৈরী করা যাক । প্রথমে Notepad ওপেন করুন (Start Menu> Programs> Accessories >Notepad)। নিচের কোডগুলো লিখে ফেলুন।
<html>
< head>
< title>My First Web Page</title>
< /head>
< body>
Welcome to my First Web page
< /body>
< /html>
এবার File> Save এ যান। যে উইন্ডো আসবে তার File name নামক text box এ লিখুন Index.html এবং ফাইলটি ইচ্ছা মত একটা ফোল্ডারে সেভ করুন।ব্যস তৈরী হয়ে গেল HTML পেজ। এবার ঐ ফোল্ডারে গিয়ে ফাইলটি ওপেন করুন । ওয়েব ব্রাউজারের টাইটেল বারে দেখুন লেখা My First Web Page এবং সামনে Welcome to my First Web page লেখাটি দেখা যাবে।
এবার বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা যাক। যখন ফাইলটি ওপেন করা হল তখন ওয়েব ব্রাউজার উপরের প্রতিটি লাইনকে পর্যায়ক্রমে ইন্টারপ্রেট বা অনুবাদ করতে থাকে (সোজা কথায় আপনি কোডগুলো দিয়ে যে কমান্ড দিলেন সে অনুসারে কাজ করতে থাকে) । বিষয়
টা নিচে বর্ণনা করা হলঃ
১। যখন ব্রাউজার <html> লাইনটি দেখে তখন সে বুঝে যে এর নিচে </html> এর উপরে যে কোড গুলো লিখেছেন তা HTML ভাষায় রচিত। তারপর ব্রাউজারটি পরের লাইনে চলে যায় ।
২।যখন <head> লেখাটি দেখে তখন সে বুঝে নেয় </head> লেখটির আগ পর্যন্ত কোড গুলো head অংশের (HTML এ একটি ওয়েব পেজ প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত Head ও Body।Head অংশে ওয়েব সাইট এর টাইটেল সেট করা হয় এবং Body অংশে ওয়েব পেজ এ যা যা থাকবে তা নির্ধারন করা হয়)।
৩।যখন <title>My First Web Page</title> লাইনটিতে যায় তখন বুঝে নেয় ওয়েব সাইটটির Title হবে My First Web Page. তাই ওয়েব পেজটি ওপেন করলে টাইটেল বারে My First Web Page লেখাটি দেখায়।
৪। যখন <body> লাইনটিতে যায় তখন বুঝে নেয় </body> লাইনটির আগ পর্যন্ত যা আছে তা body অংশের আওতাভুক্ত। ফলে Welcome to my First Web page লেখাটি ওয়েব পেজ এ দেখায়।
উপরের আলোচনা থেকে যা যা শিখলাম তা হলঃ
১। প্রতিটি ওয়েব পেজ এর দুইটি অংশ থাকেঃ Head ও Body । Head অংশে ওয়েব পেজ এর টাইটেল ও Body অংশে ওয়েব পেজ এ যা যা থাকবে তা লিখে দিতে হয়।
২। < চিহ্ন দিয়ে শুরু ও > দিয়ে শেষ হোওয়া শব্দগুলোকে HTML এর ভাষায় ট্যাগ (tag) বলে। এই গুলো ব্যবহার করেই ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয়া হয়। তাই ট্যাগগুলো গুরুত্তপুর্ন।

লিনাক্স নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন…………

কেন লিনাক্স বিশ্বব্যাপী এত জনপ্রিয়, কারা এর ব্যবহারকারী !
বাংলাদেশে এখন পাইরেটেড উইন্ডোজের ছড়াছড়ি। লিনাক্স তো দূরের কথা কম্পিউটারের যে আরও কোনো অপারেটিং সিস্টেম থাকে তা হয়তো অনেকেরই অজানা। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে নতুনদের কাছে লিনাক্সের চেয়ে উইন্ডোজ ব্যবহার করাই অনেকসহজ মনে হয়। কিন্তু লিনাক্স ব্যবহারের পদ্ধতি একবার শিখতে পারলে পরবর্তীতে তা ব্যবহার করা একদমই সহজ হয়ে যায়। ব্যাক্তিগতভাবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর ব্যবহার বেশি হলেও বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কর্মক্ষেত্রে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমই বেশি ব্যবহৃত হয়। লিনাক্সের বহুমুখী ব্যবহারের সুযোগ থাকায় খুব দ্রুতই এর ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠেছে।
কি অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন কেন লিনাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়?
ব্যবসা ক্ষেত্রে লিনাক্স ব্যবহারের অন্যতম কারণ হলো এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক শক্তিশালী। লিনাক্সে কোনো ভাইরাস আক্রমণের ভয় নেই। আর এই অপারেটিং সিস্টেমটি খুব সহজেই নিজেদের যে কোনো কাজের জন্য মডিফাই করে নেয়া যায়।
এখন আসুন দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠান যারা সকলেই লিনাক্স ব্যবহার করছে:
  1. গুগল: অবাক হওয়ার কিছু নেই। ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগল তাদের সকল কাজকর্ম লিনাক্সের মাধ্যমেই পরিচালনা করে। গুগলের ইঞ্জিনিয়াররা লিনাক্সের একটি জনপ্রিয় ডিস্ট্রো কাস্টমাইজ করে গুবুন্টু হিসেবে ব্যবহার করছে। এভাবেই গুগলের সকল সেবাগুবুন্টুর মাধ্যমেই পরিচালিত হয়।
  2. উইকিপিডিয়া: অনলাইনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এনসাইক্লোপিডিয়া (উইকিপিডিয়া) ২০০৮ সাল থেকে উবুন্টু ব্যবহার করে আসছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা লিনাক্সের আরেকটি জনপ্রিয় ডিস্ট্রো রেড হ্যাট ব্যবহার করে থাকে। তবে এডমিনিস্ট্রেশন এর অংশগুলোতে উবুন্টুই ব্যবহার করা হচ্ছে।
  3. ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা: লিনাক্স ডট কম-এ প্রদত্ত তথ্য অনুসারে ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেই সবচেয়ে ব্যাপক আকারে রেড হ্যাট লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। লিনাক্স যেভাবে খুশি চালানো যায় বলেই বিশাল ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেত্রটি সুচারুরূপে পরিচালিত হচ্ছে। এর কোনো একটি ছোট ত্রুটিও অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
  4. ইউএসএ নেভি ও সাবমেরিন: FreeSoftwareMagazine.com এর তথ্যানুসারে ইউএসএ নেভি এবং নিউক্লিয়ার সাবমেরিনেও লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
  5. স্পেন: লিনাক্সের সবচেয়ে বড় সাপোর্টার দেশ হিসেবে স্পেন বহুল পরিচিত। স্পেনে ২০০২ সাল থেকে সকলের কাছে লিনাক্স পৌঁছে দেয়ার জন্য স্পেন সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। স্পেনের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানেই লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া জনগনের মাঝে লিনাক্স পৌঁছে দেয়ার পদক্ষেপ হিসেবে, সকল সরকারি কর্মচারিদের লিনাক্স সিডি প্রদানের পাশাপাশি ম্যাগাজিন, এমনকি খবরের কাগজের সাথেও লিনাক্সের সিডি দেওয়া হতো। আর সে কারণেই স্পেনে লিনাক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
  6. ফ্রান্স সংসদ: ফ্রান্সের বিশাল সংসদ ভবনের সকল কম্পিউটারেই ২০০৬ সাল থেকে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। তারা সকলকে ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ব্যবহারে উৎসাহিত করে যাচ্ছে। এসব কম্পিউটারে বেশিরভাগ সফটওয়্যারই ওপেনসোর্স। ওয়েব ব্রাউজার হিসেবেও তারা ওপেনসোর্স ফায়ারফক্সকেই বেছে নিয়েছে। এছাড়া তারা ই-মেইলের জন্য ওপেনসোর্স ই-মেইল ক্লায়েন্টও ব্যবহার করছে।
  7. চিনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও কমার্শিয়াল ব্যাংক: চীনের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংকে ২০০৫ সাল থেকে লিনাক্স ব্যবহার করা শুরু হয় এবং ২০০৮ সালের আগেই তারা প্রতিটি ব্রাঞ্চেই লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে।
  8. বড় বড় স্কুল কলেজ: রাশিয়ায় ২০০৭ সালে ঘোষনা দেয়া হয় যে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স চালানো বাধ্যতামূলক। কারণ বাংলাদেশের মতোই এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবগুলোতেই পাইরেটেড উইন্ডোজ চালানো হতো। এরপর ধীরে ধীরে সকলশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই লিনাক্স ব্যবহার শুরু হয়। জার্মানির সকল ইউনিভার্সিটি গুলোকে ২০০৭ সালেই লিনাক্সের আওতায় আনা হয়। সুইজারল্যান্ডে আরও আগে ২০০৫ সাল থেকেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এর অধিকাংশ প্রদেশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। পাকিস্থানেও একই অবস্থা। সারা বিশ্বব্যাপি পরিচালিত ‘একজন শিশুর জন্য একটি ল্যাপটপ’ প্রোগ্রামটিতেও লিনাক্স ব্যবহার করা হয়েছে।
  9. এমাজন: ইন্টারনেটে বইপত্র ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী বিক্রয়ের বড় প্লাটফর্ম এমাজন ডট কম ২০০১ সালের পর থেকে লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে। শুধুমাত্র ২০০৪ সালে লিনাক্সের কারণে এই কোম্পানির ১৭ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হয়। বর্তমানে এমাজন.কমের সকল কম্পিউটারেই লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
  10. প্যানাসনিক: ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যর বাজারে জনপ্রিয় প্যানাসনিক কোম্পানিও তাদের কাজের জন্য লিনাক্স ব্যবহার করে। লিনাক্স ব্যবহারের পূর্বে কোম্পানিটিতে উইন্ডোজ ব্যবহার করা হতো। তবে উইন্ডোজকে যে কোনো কাজের জন্য কাস্টমাইজ করা যায় না বলে, সেই উইন্ডোজের জন্যই এই কোম্পানিকে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এরপর তারা লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী লিনাক্সের একটি কাস্টমাইজ সংস্করন তৈরি করে তা আজও সফলতার সাথে ব্যবহার করে আসছে।
উপরে শুধুমাত্র কয়েকটি জনপ্রিয় ও বড় সেক্টরে লিনাক্সের ব্যবহারের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। এরকম আরও অনেক বড় বড় কোম্পানি আছে যেগুলোতে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি ছোট ছোট কর্মক্ষেত্রগুলো তো থাকছেই। বাংলাদেশেও অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান সহ ছোট প্রতিষ্ঠান গুলোতেও লিনাক্সের ব্যবহার শুরু হয়েছে। তাই বাংলাদেশে রয়েছে দক্ষ লিনাক্স অপারেটরদের জন্য অফুরন্ত কাজের সূযোগ। এছাড়া অন্য কাজের পাশাপাশি লিনাক্স শেখার মাধ্যমেও নিজের কাজের পরিধিটাকে বৃদ্ধি করা যায়।